লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বনাঞ্চলে হাতির আবাসস্থল পুনর্গঠনের লক্ষ্যে আকাশমনি গাছ উচ্ছেদ/অপসারণ করে দেশীয় প্রজাতির চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ। এর অংশ হিসেবে চুনতির বনাঞ্চলে ১২শত ২৯ একরে সৃজনকৃত আকাশমনি বাগান অপসারণ করে প্রায় ২ লাখ দেশীয় চারা রোপণ করা হবে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় চুনতির বনরেঞ্জর সাতগড় বন বিটের আওতাধীন সাপের গর্ত এলাকায় দেশীয় চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিম।
উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, চুনতির সরকারি বনে আর কোনো আকাশমনি থাকবে না। অপসারিত আকাশমনির জায়গায় দেশীয় প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমরা পিছপা হবো না। চুনতির বনে যারা জবর-দখল করে আছে তাদেরও উচ্ছেদ করা হবে। সরকারি আইনি প্রক্রিয়ায় ৪০ হেক্টর জমির আকাশমনি গাছ প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে দেশীয় প্রজাতির চারা রোপণ করা হবে। এ সময় তিনি পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি চুনতির বনাঞ্চল সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
রোপণকৃত দেশীয় প্রজাতির চারার মধ্যে রয়েছে, ঢাকিজাম, উড়ি আম, পিতরাজ, সিভিট, লোহাকাঠ, উদাল, ধারমারা, বাজনা, ডুমুর, তেজবহল, গর্জন, জাম, জলপাই, চালতা, অর্জুনসহ বহু প্রজাতি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ (পদুয়া) সহকারী বন সংরক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন, পরিবেশ ও জলবায়ু উপদেষ্টা পিএস আশিকুর রহমান সুমন, চুনতি বনরেঞ্জ কর্মকর্তা আবীর হাসান, পদুয়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মো. বজলুর রশীদ, সাতগড় বিট কর্মকর্তা মহসীন আলী ইমরান, ডলু বিট কর্মকর্তা মো. রাকিবসহ বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
