বান্দরবানে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার পর ঈদের লম্বা ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের ঢল

বান্দরবানে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার পর ঈদের লম্বা ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুদের ঢল নেমেছে। গতকাল শুক্রবার ঈদের ষষ্ঠদিনে ঘুরে দেখা গেছে, জেলার অন্যতম পর্যটন স্পট নীলাচল, মেঘলা, প্রান্তিক লেক, শৈলপ্রপাত, রুপালি ঝরনা, বুদ্ধ মূর্তি টেম্পল, বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুক পাহাড়, নীলগিরি সড়কের ডাবল হেন্ডস ভিউ এবং টাইটানিক ভিউ পয়েন্টসহ দর্শনীয় স্থানগুলোতে ভ্রমণপিপাসুদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। কোথাও যেন স্বস্তিতে সেলফি তোলারও ঠাঁই নেই। এদিকে জেলায় হোটেল–মোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউজগুলোতে কোনো রুম খালি ছিল না শুক্রবারও। শহরের ধনেশপাখি মোড়ে জিপগাড়ি স্টেশনে ট্যুরিস্টদের চার শতাধিকের অধিক চাঁদের গাড়ির একটিও বসে ছিল না, সবগুলোই পর্যটকদের নিয়ে পছন্দনীয় স্পটগুলোতে ছুটে বেড়িয়েছে।

ট্যুরিস্ট গাড়ি শ্রমিক নেতা কামাল আহমেদ বলেন, দীর্ঘদিন পর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও ঈদের লম্বা ছুটিতে সবগুলো ট্যুরিস্ট গাড়িই ভাড়া হয়েছে। স্টেশনে কোনো গাড়িই বসা ছিল না পর্যটকের অপেক্ষায়। উল্টো গাড়ির জন্য অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে পর্যটকদের। চাপ সামলাতে হিমসিম খেতে হয়েছে পরিবহন দায়িত্বশীলদেরও।

ভালোই লাগে পাহাড়ের এ সমুদ্র দেখে কখনোই মন খারাপ হয় না। এ যেন সৃষ্টিকর্তার অলৌকিক দান।

নীলাচলে বেড়াতে আসা পর্যটক মুক্তার আলী রাহন ও রায়হা বলেন, পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখার জন্য বান্দরবান ছাড়া বাংলাদেশে দ্বিতীয় কোনো জায়গা নেই। পাহাড় দেখতে হলে এখানেই বারবার ফিরে আসতে হবে। তাই ছুটির দিনগুলোতে সময় পেলেই বান্দরবান ঘুরতে আসি। ৫ম পৃষ্ঠার ৪র্থ কলাম

মেঘলা পর্যটনে বেড়াতে আসা পর্যটক সানজিদা ও শায়েলা বলেন, অদ্ভুত সুন্দর এখানের পাহাড়গুলো। পর্যটন স্পটগুলো প্রকৃতি আর শৈল্পিক ছোঁয়ায় সাজানো গোছানো। স্পটগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল চোখে পড়ার মত। তবে পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় নারীরা ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছে।