নাতে রাসুল, দরুদ সালাম এবং নারায়ে রিসালাতের স্লোগানের মধ্যদিয়ে চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পবিত্র জশনে জুলুস ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দ:) উপলক্ষে স্বাগত মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ( ১ সেপ্টেম্বর ) বাদে আছর ছৈয়দাবাদ জিরি বটতল এলাকা হতে ছৈয়দাবাদ ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এই জশনে জুলুস ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দ:) উপলক্ষে র্যালি বের হয়ে।
র্যালিটি খাঁনহাট রেলওয়ে ষ্টেশন হয়ে বিভিন্ন পাড়া মহল্লার ভিতর দিয়ে খাঁনহাট বাজারের চট্টগ্রাম – কক্সবাজার মহাসড়ক প্রদক্ষিন করে উত্তর হাশিমপুর ( ছৈয়দাবাদ ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শেষ হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুর রহিম আনচারী,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রাঙ্গামাটি) আবদুল আউয়াল চৌধুরী,মাওলানা আবুল কাশেম আনছারী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইমান ফারুকী, চন্দনাইশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো.কমরুদ্দিন, মাওলানা নাছির উদ্দিন,মাওলানা আবদুল খালেক হাফেজ মাওলানা আব্দুল কাদের আল কাদেরী, মোহাম্মদ দিদারুল আলমসহ ছৈয়দাবাদ ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় অতিথিরা বলেন,পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দ.) সমাজ বিপ্লবের শ্রেষ্ঠ অঙ্গীকার।বর্তমান বিশ্বের মুসলমানদের কাছে জশনে জুলুছ আর অপরিচিত কোন বিষয় নয়। বিশ্বনবী রাহমাতুলল্লিল আলামীন হুজুর মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বিশাল রহমত এর ভাণ্ডার নিয়ে পৃথিবীর বুকে শুভাগমন করেছিলেন সে নেয়ামত কেবল মানবজাতির জন্য নেয়ামত এমনটি নয়, বরং তা ছিল সমগ্র বিশ্বভ্রমান্ডের আঠার হাজার মাখলুকাতের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত। তাই এই মহান দিবসকে উপলক্ষ করে প্রতি বৎসর ঐ দিনে নেয়ামতের শোকরিয়া প্রকাশের নিমিত্তে মিলাদ মাহফিল করা জিকির আজকার করা আনন্দ উদযাপন করা জশনে জুলুছ করা কেবল নৈতিক দায়িত্ব নয় বরং বড় ফজিলতপূর্ণ ইবাদতের কাজ।
