চট্টগ্রামে কোরবানির পশুর হাটে শুরু হয়েছে বেচাকেনা। শুরুতে কিছুটা কম হলেও ক্রমেই জমে উঠছে পশুর হাটগুলো। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকযোগে আসছে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়াসহ বিভিন্ন জাতের কোরবানিযোগ্য পশু। নগরীর হাটগুলোর মধ্যে সাগরিকা বাজার ও বিবিরহাট বেশ দ্রুতই জমজমাট রূপ নিচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েকদিনের মধ্যে পশুর হাটে উপচে পড়বেন ক্রেতারা।
চট্টগ্রাম মহানগরীতে এবার বসছে ১০টি কোরবানির পশুর হাট। এরমধ্যে তিনটি স্থায়ী হাট রয়েছে, যেগুলোর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে সাতটি অস্থায়ী হাট। বাজারগুলোকে সপ্তাহখানেক আগে থেকে প্রস্তুত করা হয়েছে হাজার হাজার খুঁটি পুঁতে। বর্ষা মওসুম হওয়ায় ত্রিপল দিয়ে আচ্ছাদন প্রস্তুত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সাগরিকা পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, দ্রুততার সঙ্গে ভরে উঠছে হাট। ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, নওগাঁ, নাটোর, সিরাজগঞ্জসহ উত্তরবঙ্গ থেকে ট্রাকে ট্রাকে প্রতিদিনই আসছে গরু। বেপারিরা অপেক্ষাকৃত সস্তা এলাকা থেকে পশু কিনে আনছেন চট্টগ্রামে। এখন রাত-দিন খোলা পশুর হাট। তবে প্রথম পর্যায়ে দেখাদেখি ও দর যাচাইয়ের কাজটিই বেশি হচ্ছে। অল্পসংখ্যক গরু বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা বলছেন, শহরে সাধারণত কোরবানি ঈদের দুদিন আগে থেকে বেচাকেনা হয়ে থাকে। কারণ, গ্রামের মতো পশু রাখার জায়গা নেই নগরে। তাছাড়া বর্ষা প্রায় চলেই এসেছে। এ সময়ে কোরবানির পশু রাখা একটি বড় সমস্যা। তারা আশাবাদী যে, এখন বিক্রি কম হলেও যারা কেনার তারা ঠিকই কিনে নেবেন।
কারণ, কোরবানির ঈদ বলে কথা। চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, চট্টগ্রামের খামারগুলোতে যে পরিমাণ পশু প্রস্তুত রয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা কম। এবার পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ৮ লাখ ৮৫ হাজার। এর বিপরীতে কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৮ লাখ ৫২ হাজার। ফলে কিছুটা সংকট রয়েছে।
