কলাউজান লক্ষ্মণেরখীল বড়ুয়াপাড়ার চরে বালু উত্তোলন বন্ধ

টংকাবতী খালের কলাউজান লক্ষ্মণেরখীল বড়ুয়াপাড়ার চরে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।খোরশেদ আলম ও দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পৃষ্টপোষকতায়  একটি চক্র প্রতিদিন টংকাবতী খালের কলাউজান লক্ষ্মণেরখীল বড়ুয়াপাড়ার চরে বালু উত্তোলন করে ট্রাকে ট্রাকে বালু পাচার করে আসছিল। তারা দাপটের সাথে দাবি করে আসছিলো যে,  লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ্মাসন সিংহের নির্দেশে তারা বালু উত্তোলন করছে। তবে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আসলাম জানিয়েছেন, এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। জনস্বার্থ বিবেচনা করে টংকাবতী খালের মূল প্রবাহে চরম্বার রাজঘাটা লোকালয় নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হওয়ায় লক্ষ্মণেরখীল চরের উপর দিয়ে নদী প্রবাহের গতি পরিবর্তন করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে এস্কেভেটরের মালিক খোরশেদ আলমকে দু’লক্ষ টাকার চুক্তি মত এ কাজ করার কার্যাদেশ দেয়া হয়।

এলাকাবাসী ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করার দাবি জানিয়েছেন। নদী তীরবর্তী রাজঘাটার অধিবাসীরা অবিলম্বে টংকাবতী নদী শাসন ও নদী তীরে পাথর ঢালাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও এলাকার সাংসদ প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন নদভীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।