জনবান্ধব প্রশাসন গড়ার আহবান প্রধানমন্ত্রীর

11

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির পাশাপাশি জনবান্ধব প্রশাসন গড়া এবং কোন কাজ ফেলে না রাখতে সহকর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের এমন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (২১ জানুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সকাল ১০টায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

নতুন মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কী নির্দেশনা দিয়েছেন, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর যে কথাগুলো বলে আসছেন, প্রথম হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সব জায়গায় সুশাসন কায়েম করা।মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং মন্ত্রীরা, ছবি: পিআইডি
‘আর সততা ও দক্ষতা- এগুলোর সঙ্গে কাজ করা। জনবান্ধব জনপ্রশাসন তৈরি করা। মানে কাজ ফেলে রাখা যাবে না, কাজ দ্রুত করতে হবে। বাংলাদেশকে একচল্লিশের (২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ) জায়গায় নিয়ে যেতে হলে আমাদের স্পিডে কাজ করতে হবে। এটা ম্যাসেজ আরকি।’
গত ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ৭ জানুয়ারি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। মন্ত্রিসভায় ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন এবং তিনজন উপ-মন্ত্রী রয়েছেন।

সাধারণত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ডাক পান মন্ত্রীরা, কিন্তু যেসব মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী থাকেন তারা ডাক পান না। তবে প্রধানমন্ত্রী চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রীরাও ডাক পান।